Blood King Or Lover |Part-23+last part

-হি ইজ রাইট রিয়ন (কামিলা)
-আমি বলকি, সময় নষ্ট না করে এখন যাওয়া যাক? (রেয়হান)
-হুম,চল(রিয়ন)

রিয়নের অনুমতিতে সবাই ড্রাকুলা কিংডমে হামলা করে।

Inside of the Dracula Kingdom,

মায়াকে একটা সেলের ভেতর বন্দি করে রাখা হয়েছে। তার থেকে কিছুটা দুরে চারজন ড্রাকুলা প্রহরী মায়ার দিকে লোভনীয় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।
মায়া গুটিসুটি মেরে বসে আছে এক কোণে। চোখ থেকে তার অনবরত পানি ঝড়ছে। চোখ ফোলে গিয়েছে কান্না করতে করতে, সমস্ত মুখমণ্ডল লাল হয়ে আছে।

“‘” রিয়ন, কোথায় তুমি? প্লিজ কাম ফাস্ট, আমার খুব ভয় করছে”‘”
মায়া মনে মনে এই একটাই কথা বলে যাচ্ছে।
মায়াকে যেখানে বন্দি করে রাখা হয়েছে, ইভান সেখানে এসে উপস্থিত হয়। প্রহরীরা ইভানকে সম্মান জানায়।

-কি মায়ু পাখি? অবাক লাগছে?(ভিলেন স্মাইল দিয়ে বলে ইভান)
-আপনাকে আমি ভালো ভেবেছিলাম, আর আপনি?(মায়া)
-সবই ছিল ড্রামা 😏(ইভান)

ইভান আরো কিছু বলতে যাবে তার আগেই এক ড্রাকুলা হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসে।

-কিং, কিং, ভ্যাম্পায়ার & ওয়্যারওল্ফ সরাসরি আক্রমণ করেছে।
-ওয়্যারওল্ফ? কীভাবে সম্ভব?(ইভান কথাটা বলে মায়ার দিকে তাকায়)

মায়ার চোখে মুখে স্পষ্ট খুশির ঝলক দেখা যাচ্ছে।

-যা, লড়াই কর (ইভান)

ইভান মায়ার সেল খুলে ভেতরে যায়।

-খুব খুশি হয়েছিস না? চল তোদের দুই আশিককে এক সাথে মারি।

বলেই ইভান মায়ার চুল ধরে টেনে বের করে নিয়ে যায়।
রিয়ন, আফনান এতোক্ষণে প্রাসাদের ভিতর ঢুকে যায়। ইভান মায়াকে টেনে নিয়ে দাড় করায়। ইভান রিয়নকে দেখে কিছুটা ভয় পেয়ে যায়। অতিরিক্ত হিংস্র দেখাচ্ছে তাকে।
চোখদুটো অসম্ভব লাল, মুখের আকারই পাল্টে গেছে, ভয়ংকর সরু দাঁত গুলোও রক্তে লাল হয়ে গেছে আর টুপটুপ করে রক্ত ঝড়ছে। হাতের নখ গুলো লম্বা হয়ে গেছে (ভ্যাম্পায়ারের রিয়েল নেইলস), সেই নখগুলোর ভেতরও রক্ত। ঠোঁটের আশেপাশ থেকে শুরু করে গলা দিয়ে বুক পর্যন্ত রক্তে ভিজে আছে। শরীরের রং ফ্যাকাসে, নীল বর্ণের শিরা উপশিরাগুলো ফুলে ভেসে উঠেছে।

ইভান ক্রিস্টাল নাইফ বের করে, রিয়ন আর আফনান তা দেখে একে অপরের দিকে তাকায়।
ইভান মায়ার পেছন থেকে তার হৃদপিণ্ড বরাবর আঘাত করতে যাবে, ঠিক সেই মুহুর্তে রিয়ন বাতাসের গতিতে দৌড়ে ইভানকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে নেয়।
ইভান তার মনুষ্য রূপ ছেড়ে ড্রাকুলাতে পরিণত হয়, যাকে দেখতে জঘন্য ভয়ানক লাগছে। তবে রিয়নকে তার থেকেও বেশি ভয়ংকর লাগছে।
ইভানকে ধাক্কা দেওয়াতে ক্রিষ্টাল নাইফ পরে যায়।ইভান উঠে দাড়াতেই রিয়ন বাতাসের গতিতে তার লম্বা নখগুলো দিয়ে ইভানের বুকে আচড় দেয়। ইভান ছোট একটা আর্তনাদ করে এক পাশে ঝুকে যায়। রিয়ন একই ভাবে ইভানকে বারবার আঘাত করতে থাকে। ইভান কোনভাবেই পেরে উঠছে না রিয়নের সাথে।

ইভান সামনে তাকাতেই মায়াকে উল্টো দিকে ঘুরে দাড়িয়ে আছে দেখতে পায়। দেরি না করে ইভান মুহুর্তেই মায়ার পেছন দিক থেকে তার বড়বড় নখগুলো দেহের ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়ে হৃদপিন্ড চেপে ধরে।
মায়ার দম বন্ধ হয়ে আসছে। রিয়ন মায়ার সামনেই আছে, যেই কষ্টটা মায়া অনুভব করছে ঠিক সেই কষ্টটাও রিয়ন অনুভব করছে। রিয়নেরও পেছন দিক দিয়ে ক্ষত হয়, আর কালো রক্ত ঝরতে থাকে।
মায়া আর দুজনই দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে, মায়ার চোখ বেয়ে পানি ঝড়ছে, আর রিয়নের চোখ বেয়ে রক্ত ঝড়ছে। রিয়ন আর মায়া দুজনই হাটু ভেঙে বসে পরে।
দুজনের কাছেই সবকিছু ঘোলাটে লাগছে।

আফনান হঠাৎ মায়া আর রিয়নের দিকে তাকায়, আর তাদের অবস্থা দেখতে পায়। আফনান কিছু না ভেবেই ইভানের উপর ঝাপিয়ে পড়ে, আফনান ইভানের দেহ থেকে মাথাটা আলাদা করে দেয়,আর পুরো দেহ বালিতে পরিণত হয়ে যায়। ইভানের সাথে ড্রাকুলা রাজ্যের বাকি ড্রাকুলার দেহও বালিতে পরিণত হয়ে যায়।
কিন্তু মায়া আর রিয়ন দুজনই মাটিতে পড়ে যায়। দুজনেরই মনে হচ্ছে এই তাদের শেষ দেখা। ধীরে ধীরে মায়ার চোখ বন্ধ হয়ে যায়,সাথে রিয়নেরও।
বাকিরা রিয়ন এবং মায়ার কাছে আসে।
আফনান মায়াকে আর স্মিথ রেয়হান রিয়নক্র উঠায়।
দুজনেরই দেহ একদম নিস্তব্ধ হয়ে আছে।
মায়া আর রিয়নকে ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরেন আর মি.হাসান আগেই উপস্থিত ছিল ভ্যাম্পায়ার রাজ্যে, স্টিভ মাইন্ড কানেকশনের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছিল।
মি.হাসান অনেকটাই ভেঙে পড়েছেন কিন্তু এরেন একদম স্বাভাবিকভাবেই আছেন।
হাজার হোক কিং তো, রাজ্য পরিচালনা করতে হবে তো।
রাজা হয়েই যদি ভেঙে পরে তাহলে রাজ্য পরিচালনা করবে কে?

অনেক চেষ্টার পর মায়াকে সুস্থ করা যায়। কিন্তু রিয়নকে,,,,,,,,,,

মায়া দুইদিন অচেতন অবস্থায়ই থাকে।

After Two Days In Hasan mansion,

মায়ার জ্ঞান ফিরে দুইদিন পর। চোখ খুলে সে নিজেকে তার রুমে আবিষ্কার করে। বুকের বাম পাশে চেপে ধরে উঠে বসে। রুমেই আফনান, সিতারা আর দিয়াকে পায়।
আফনান সোফায় হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে বসে আছে, দিয়া দাঁড়িয়ে কিছু কাগজ দেখছে আর সিতারা ব্যালকনিতে দাড়িয়ে আছে। মায়া নিঃশব্দে উঠে তাই কেউ টের পায় নি।
অস্ফুটস্বরে বলে,

-দিয়া,,,

মায়ার কথা শুনে আফনান চোখ খুলে উঠে আসে, দিয়াও মায়ার পাশে এসে বসে। সিতারাও ব্যালকনি থেকে রুমে এসে মায়াকে দেখে বেরিয়ে যায়।

-কেমন ফিল করছিস এখন?(আফনান)
-বুকে ব্যথা করছে খুব?(দিয়া)
-রি,,,রিয়,,রিয়ন?

নামটা বলতেই মায়ার চোখ থেকে পানি পরে।
আফনান, দিয়া রিয়নের নাম শুনতেই মাথা নীচু করে ফেলে।
তখনি রুমে মি.হাসান আর মিসেস. হাসান আসে।

-কিরে, মা? তুই ঠিক আছিস? বুকে ব্যথা করছে না তো?(মি.হাসান)
-কিছু বল (মা)

মায়া কিছু না বলে সকলের দিকে কান্নাভরা চোখে তাকিয়ে থাকে।

-আমার রিয়ন কোথায়?(মায়া)

কথাটা বলতেই রুমের ভেতর আবার নিরবতা বিরাজ করে। কেউ কিছুই বলে না, মাথা নীচু করে নেয়। মায়ার কান্নার বেগ বেড়ে যায়।

-তোমরা কেন বলছ না, আমার রিয়ন কোথায়? রিয়ন তো আমাকে ফেলে কোথাও যাওয়ার কথা না, আমার পাশেই থাকার কথা। বলো আমার রিয়ন কোথায়? (মায়া চিল্লিয়ে বলে) এই আফনান, তুই তো ছিলি, বল না আমার রিয়ন কোথায়?(মায়া আফনানকে বলে)
-মায়া, রিলেক্স হো, এরকম করলে অসুস্থ গয়ে যাবি (আফনান)
-চাই না আমি সুস্থ হতে। বের হও তোমরা আমার রুম থেকে, গেট আউট ফ্রম হেয়ার, রাইট নাউ (মায়া চিল্লিয়ে কান্নারত কন্ঠে কথাটা বলে)

আফনান বুঝতে পারে এখানে থাকলে মায়া কান্নাকাটি আর চিল্লাবে বেশি যা তার জন্য সমস্যা বাড়াবে। তাই সবাইকে নিয়ে চলে যায়।
সবাই চলে যেতেই মায়া তার রুমের দরজা লাগিয়ে দিয়ে দরজায় হেলান দিয়ে নিচে বসে পরে, আর কান্না করতে থাকে।

-না, এটা কখনো সম্ভব নয়। আমি বেচে আছি অথচ তুমি নেই, এটা কখনো সম্ভব নয়, রিয়ন। আমি বিশ্বাস করি না কারো কথা। রিয়ন, কোথায় তুমি?

মায়া শেষের কথাটা এতটাই চিতকার করে বলে যে বাড়ির বাহিরে থাকা লোকজনও শুনতে পেরেছে বলে মনে হয়। মায়া সেই চিতকার দিয়েই আবার জ্ঞান হারায়।

এভাবেই কিছুদিন কাটে, মায়া কারো সাথে টু শব্দ পর্যন্ত করে না। সারাদিন নিজের রুমে থাকে। হয় ব্যালকনিতে বসে এক ধ্যানে আকাশের দিকে তাকিয়ে চোখের পানি ফেলে, নয়তো বালিশে মুখ গুজে কান্না করে, কখনো কখনো শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে ভিজতে ভিজতে কান্না করে।আগে তো খাবার দেখলেই ফেলে দিত, এখন আফনান আর সিতারা অনেক ধরে বেধে খাওয়ায়।

বেশ কিছুদিন পর একদিন মি.হাসান মায়ার রুমে আসে। মায়া বিছানায় আধশোয়া অবস্থায় বাহিরে তাকিয়ে ছিল।

-আসবরে মা?(মি.হাসান দরজায় দাঁড়িয়ে বলে)

মায়া একনজর তাকিয়ে আবার বাহিরে তাকায়। মি.হাসান মায়ার পাশে এসে বসে।

-কি দেখছিস বাহিরে?(মি.হাসান)
—……………
-কিছু বলতে এসেছিলাম।কিছু তো বলিস না কারো সাথে। এভাবে আর কতোদিন থাকবি? আমরা ভাবছিলা তোর বিয়ে দিব। তাহলে নতুন সংসার, নতুন মানুষের ভীড়ে কিছুটা হলেও এসব ভুলে থাকতে পারবি।তোর ভালোর জন্যই বলছি যা বলার।ঘরোয়া ভাবেই হবে।ভেবে দেখিস। (মি.হাসান)

মি.হাসান কথাগুলো বলে উঠে চলে যেতে থাকে।

-যা ভালো বুঝ তাই করো, আব্বু। আমার জন্য তোমাদের কষ্ট হচ্ছে আমি তা ভালোই বুঝতে পারছি। (মায়া)

মি.হাসান কিছু না বলে দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বেরিয়ে যায়।

তিনদিন কাটার পর একদিন দিয়া, সিতারা, আশা আর কামিলা দুপুরবেলা মায়ার রুমে আসে। তাদের চেহারায় আসলে মন খারাপ নাকি ভালো বুঝা যাচ্ছে না।
চারজন মিলে মায়াকে হালকাভাবে সাজিয়ে দেয়। অফ হোয়াইটের মাঝে লেহেংগা পড়ায়,লাল উড়না দিয়ে মাথায় ঘুমটা দিয়ে দেয়।
কাজী এসে মায়াকে কবুল বলতে বললেও মায়া বলে না, শুধু সাইন করে দেয়।
বরযাত্রী রাতে মায়াকে তুলে নিয়ে যায়। সারা রাস্তা মায়া একনজরের জন্যও তার বরের দিকে তাকায় নি, বাহিরে তাকিয়ে অন্ধকার দেখছিল।
বেশ বড় একটা বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামে, দেখতে অনেকটা রাজ প্রাসাদের মতো।
অন্যান্য সব কার্জক্রম শেষ হলে মায়াকে নিয়ে একটা রুমে বসিয়ে দিয়ে আসে কিছু মেয়ে।
কিছুক্ষণ বসে থাকার পর মায়া বিছানা ছেটে উঠে ব্যালকনিতে গিয়ে দাড়ায়।
হঠাৎ কেউ দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে আবার দরজা লাগিয়ে দেয়।
মায়া স্পষ্ট বুঝতে পারছে কেউ তার দিকেই এগিয়ে আসছে। কে আর হবে? সদ্য বিয়ে করা বর।
মায়ার বর এসে মায়াকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে,মায়া স্বাভাবিকভাবেই বলে,,,

-আমাকে বিয়ে করে সুখ শান্তি পাবেন না, আমি একজনকে খুব ভালোবাসি। (মায়া)
-মানে কি? আবার কাকে ভালোবাসলে এতো তাড়াতাড়ি?

কথাটা শুনেই মায়া চট করে পেছনে তাকায়। পেছনে তাকাতেই মায়ার চোখ ভরে উঠে পানিতে, আর মুখে হাসি ফোটে উঠে।

-রিয়ন, তুমি?(মায়া)
-তো আর কে? অন্য কাউকে আশা করেছিলে? এই তোমার ভালোবাসা?(রিয়ন)

মায়া রিয়নকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে।

-শয়তান, গন্ডার, হনুমান, বানর, ইদুড়, তেলাপোকা, ব্যটা রাত জাগা বাদুড়, আমাকে এতোদিন কাদিয়ে, কষ্ট দিয়ে এখন আমার ভালোবাসা নিয়ে প্রশ্ন করছ? আজকে তো তোমায় একদম মেরেই ফেলব। (মায়া)
-আমায় মারা এতো সহজ না, (মায়াকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে) তুমি যতোদিন আছ,আমিও ততদিনই আছি এই দুনিয়াতে। (রিয়ন)
-তুমি খুব খারাপ (মায়া কান্না করে দেয়)
-খারাপ হই আর ভ্যাম্পায়ার, হাজবেন্ড কিন্তু তোমার। আর কেমন মেয়ে? নামটাও দেখ নি সাইন করার সময়?(রিয়ন)
-উহু (মায়া না বোধক মাথা নাড়ায়)
-পাগলি (রিয়ন মায়াকে বুকে জড়িয়ে নেয়)
– তুমি আমার #Blood_King(মায়া)
– উহু, #Lover (রিয়ন)
-হুম,কিন্তু সবাই অইরকম ড্রামা কেন করল?(মায়া)
-সবই আমার প্ল্যান ছিল, বাট মানতে হবে সবাই সেই লেভেলের এক্টিং করতে পারে, বিশেষ করে তোমার বাবা(রিয়ন)
-আমি কতটা কষ্ট পেয়েছি, তা যদি বুঝতে, তো এসব করতে না(মায়া)
-তোমার প্রতিটা কান্নার শব্দ, চিতকার আমি তোমার পাশে থেকেই শুনেছি, অনুভব করেছি, কিন্তু তুমি আমার উপস্থিতি বুঝতে পার নি।(রিয়ন)
-,,,,,,,,,,,,
-মায়া,? (রিয়ন)
-বলো (মায়া)
-একটা কিস দাও না?(রিয়ন)
-একটাও না, কতো রাত না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি জানো? আজকে তোমার বুকে মাথা রেখে ঘুমাব, আর তুমি আমায় ঘুম পাড়িয়ে দেবে। (মায়া)
-আমি ঘুমাব না?(রিয়ন)
-আচ্ছা? রাত জাগা বাদুড় আবার রাতে ঘুমায়?(মায়া)
-উহু, তার মায়াবতীকে দেখে (রিয়ন মায়ার গাল ধরে টেনে বলে)

মায়াকে বুকে নিয়ে রিয়ন শুয়ে পরে আর আলতোভাবে মায়ার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। মায়া হাজারটা কথা বলতে বলতে ঘুমিয়ে পরে। রিয়ন মায়ার কপালে একটা কিস করে তার মায়াবতীর দিকে তাকিয়ে থাকে।

***************The End******************

ভয় পাইছিলেন সবাই? রিয়ন মরে গেছে ভেবে?
মায়া থাকতে তা বেসম্ভব। 😜😜
কে কে ভয় পেয়েছিলেন বলে যাবেন।

আমাকে বলা হইছিল গল্পে লিপ কিসিং সিন বেশি দিতে, নেন এবার দিছি লিপ কিসিং সিন (০বার)। গল্পে আর লিপ কিসিং সিন দেব না। 😏😏😏
আই নো, আমি গল্পের ফিনিসিং ভালো দিতে পারি না, দ্যাটস হোয়াই আই এম সরি 😞😞

বাই দ্যা স্কাই, কালকে থেকে ওয়্যারওল্ফ দেওয়া শুরু করব।

——————–হ্যাপি রিডিং ——————

🔥3 view

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *